কলাপাড়ায় গামইরতলা আয়রন ব্রিজ বিধ্বস্ত, আহত ৩

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গামইরতলা আয়রণ ব্রিজটি বিধ্বস্ত হয়েছে। এসময় খালে পড়ে তিন জন আহত হয়। তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা খালের ওপর এ ব্রিজটি ভেঙ্গে যায়। এর ফলে দুই পাড়ের অন্তত ১১ গ্রামের মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছে।

এ ঘটনার পর উপজেলার চেয়ারম্যান এস এম রাবিবুল আহসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা পারভিন সিমা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে এলজিইডি এই ব্রিজটি নির্মাণ করে। তখনই নিম্ন মানের ও আয়রণ স্ট্রাকচার খারাপ দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

এ ব্রিজটি পার হয়ে সবজিচাষীরাসহ মজিদপুর, কুমিরমারা, বাইনতলা, এলেমপুর, পূর্বসোনাতলা, ফরিদগঞ্জ, গামইরতলা, গুটাবাছা, নেয়ামতপুর, ইসলামপুর ও নাওভাঙ্গা গ্রামের মানুষ চলাচল করত। গামইরতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফরিদগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০ ভাগ শিক্ষার্থী এই ব্রিজটি পার হয়ে আসা যাওয়া করতো। জনদূর্ভোগ লাঘবে গ্রামের মানুষ দ্রæত ব্রিজটি নির্মানের দাবি জানিয়েছেন।

ওই গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর মিয়া জানান, সকালে ঝরঝর শব্দ শুনে খালের পাড়ে গিয়ে দেখি ব্রিজটির ৮০ ভাগ পানির নিচে ডুবে গেছে। এসময় রাসেল, আসাদুল ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ইয়ামিন আহত হয়। ব্রিজটি ভেঙ্গে পরায় সবজি চাষিসহ কয়েক গ্রামের মানুষের দূর্ভোগ বেড়ে গেছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

এলজিইডি কলাপাড়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন জানান, গামইরতলার ৮৮ মিটার দীর্ঘ আয়রন ব্রিজটি আগেই ঝুকিপুর্ণ ছিল। মেরামতের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানান, ঝুঁকিপূর্ন এ বিজ্রটি আগে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। ব্রিজ ধ্বসের খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছিলাম। তবে স্কুল বন্ধ খাকার করানে বড় ধরনের কোন দূর্ঘটনা ঘটেনি। এ ব্রিজটি নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
error: Content is protected !!
%d bloggers like this: